বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শার্শায় দুই শিশু সন্তানকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

ছবি-সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার

যশোরের শার্শায় দুই শিশু সন্তানকে হত্যার পর বাবা আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার চটকাপোতা দক্ষিণপাড়া গ্রামে কামাল হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ওই গ্রামের গ্রামের মৃত- নেদন আলীর ছেলে কামাল হোসেন (৪৫) ও তার দুই শিশু সন্তান সাবির (৫) ও জাবির (২)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। কামাল হোসেনের একাধিক স্ত্রী ছিল এবং তিনি মোট সাত সন্তানের বাবা। আগের দুই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। সর্বশেষ স্ত্রীও পারিবারিক কলহের কারণে প্রায় এক সপ্তাহ আগে দুই সন্তানকে রেখে তার বাবার বাড়ি নড়াইলে চলে যান। এরপর ওই দুই শিশু বাবার সঙ্গেই ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে শিশু সাবির ও জাবিরকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে কামাল হোসেন আত্মহত্যা করে। পরে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, খবর পেয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এঘটনায় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী

শার্শায় দুই শিশু সন্তানকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার

যশোরের শার্শায় দুই শিশু সন্তানকে হত্যার পর বাবা আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার চটকাপোতা দক্ষিণপাড়া গ্রামে কামাল হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ওই গ্রামের গ্রামের মৃত- নেদন আলীর ছেলে কামাল হোসেন (৪৫) ও তার দুই শিশু সন্তান সাবির (৫) ও জাবির (২)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। কামাল হোসেনের একাধিক স্ত্রী ছিল এবং তিনি মোট সাত সন্তানের বাবা। আগের দুই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। সর্বশেষ স্ত্রীও পারিবারিক কলহের কারণে প্রায় এক সপ্তাহ আগে দুই সন্তানকে রেখে তার বাবার বাড়ি নড়াইলে চলে যান। এরপর ওই দুই শিশু বাবার সঙ্গেই ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে শিশু সাবির ও জাবিরকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে কামাল হোসেন আত্মহত্যা করে। পরে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, খবর পেয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এঘটনায় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।