শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে দলিল জালিয়াতির মাধ্যমে জমি আত্মসাৎ, সাব-রেজিস্ট্রারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • যশোর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯৪ বার পড়া হয়েছে

ছবি-সংগৃহীত

যশোর শহরের ঘোপ জেল রোডের ছয় শতক জমি জাল দলিলের মাধ্যমে আত্মসাৎ ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে সাব-রেজিস্ট্রারসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফজলে রাব্বী বাদী হয়ে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলাটি করেন।
আসামিরা হলেন যশোরের সাব-রেজিস্ট্রার আমেনা বেগম, মোশারফ হোসেন, ফজলিয়ারা খাতুন, দলিলের সাক্ষী ফকরুল কবির বুলবুল, মহসিন, জামাল হোসেন, দলিল শনাক্তকারী ওমর ফারুক সাগর ও দলিল লেখক কাজী রুহুল কুদ্দুস।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ফজলে রাব্বীর বাবার নামে থাকা জমির ছয় শতক আত্মসাতের উদ্দেশ্যে মোশারফ হোসেন ২০২০ সালে একটি জাল কবলা দলিল তৈরি করেন। এ নিয়ে আদালতে মামলা হলে জমি হস্তান্তর ও প্রকৃতি পরিবর্তনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এরপরও আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ভুয়া ডিসিআর ব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট ছয় শতক জমি তিন কোটি টাকা মূল্য দেখিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বাদীর আইনজীবী দেবাশীষ দাস জানান, আদালত অভিযোগটি তদন্ত করে আগামী ৩ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
ট্যাগ :

শার্শায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

যশোরে দলিল জালিয়াতির মাধ্যমে জমি আত্মসাৎ, সাব-রেজিস্ট্রারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশের সময় : ০৯:০২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
যশোর শহরের ঘোপ জেল রোডের ছয় শতক জমি জাল দলিলের মাধ্যমে আত্মসাৎ ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে সাব-রেজিস্ট্রারসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফজলে রাব্বী বাদী হয়ে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলাটি করেন।
আসামিরা হলেন যশোরের সাব-রেজিস্ট্রার আমেনা বেগম, মোশারফ হোসেন, ফজলিয়ারা খাতুন, দলিলের সাক্ষী ফকরুল কবির বুলবুল, মহসিন, জামাল হোসেন, দলিল শনাক্তকারী ওমর ফারুক সাগর ও দলিল লেখক কাজী রুহুল কুদ্দুস।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ফজলে রাব্বীর বাবার নামে থাকা জমির ছয় শতক আত্মসাতের উদ্দেশ্যে মোশারফ হোসেন ২০২০ সালে একটি জাল কবলা দলিল তৈরি করেন। এ নিয়ে আদালতে মামলা হলে জমি হস্তান্তর ও প্রকৃতি পরিবর্তনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এরপরও আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ভুয়া ডিসিআর ব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট ছয় শতক জমি তিন কোটি টাকা মূল্য দেখিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বাদীর আইনজীবী দেবাশীষ দাস জানান, আদালত অভিযোগটি তদন্ত করে আগামী ৩ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।