শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
যুবদল নেতার নামে পোস্টার ভাইরাল

আমি চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দিবো

ছবি-সংগৃহীত

‘আমি চেয়ারম্যান হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’ এমন ঘোষণা সম্বলিত পোস্টারে ছেয়ে গেছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়ন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার সিরাজপুরে এমন পোস্টার লাগানোর ঘটনা ঘটে। খোকন একই গ্রামের খলিল ভূঞা বাড়ির মো. আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি ২০১৫ সাল থেকে দুবার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি পুনরায় ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি প্রার্থী।

ওই পোস্টারে খোকনকে গাঁজার ডিলার উল্লেখ করে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বেকারের জন্য গাঁজা ভাতা, মাদকসেবীদের জন্য বিশেষ কার্ড, স্কুল-কলেজের সামনে ফ্রি সাপ্লাই, থানা-পুলিশ আমার ভাই এবং উন্নয়ন হবে, আগে চাঁদা হবে—এমন বিভিন্ন স্লোগানও লেখা রয়েছে। পোস্টারগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।

পোস্টারে নিজের নাম ব্যবহারের বিষয়ে সিরাজপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি খোকন বলেন, কয়েক দিন আগে আমার ছেলে চাঁন মিয়াকে স্কুলে চড় মারে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল হাসেমের ছেলে। তা নিয়ে আমি প্রতিবাদ করি। এরপর থেকেই তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। মাদকের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। দল ক্ষমতায় এলেও আমি আগের মতো গাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করি। সমাজের মানুষ তা জানে। এমনকি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী নই।

সিরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল হাসেম অভিযোগ নাকচ করে বলেন, খোকনকে ঘিরে তার দলের মধ্যেই মাদকসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। তিনি দাবি করেন, স্কুলে খোকনের ছেলে তাদের বাড়ির এক ছাত্রীকে ইভটিজিং করায় তার ছেলে ওই ছেলে-মেয়েকে চড় মেরে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়। তবে পোস্টার লাগানোর সঙ্গে তিনি বা তার পরিবারের কোনো সদস্য জড়িত নন বলে দাবি করেন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল হাকিম বলেন, পোস্টারের বিষয়টি শুনেছি। তবে এ ঘটনায় থানায় ভুক্তভোগী কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :

যুবদল নেতার নামে পোস্টার ভাইরাল

আমি চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দিবো

প্রকাশের সময় : ০৮:৪১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘আমি চেয়ারম্যান হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’ এমন ঘোষণা সম্বলিত পোস্টারে ছেয়ে গেছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়ন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার সিরাজপুরে এমন পোস্টার লাগানোর ঘটনা ঘটে। খোকন একই গ্রামের খলিল ভূঞা বাড়ির মো. আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি ২০১৫ সাল থেকে দুবার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি পুনরায় ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি প্রার্থী।

ওই পোস্টারে খোকনকে গাঁজার ডিলার উল্লেখ করে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বেকারের জন্য গাঁজা ভাতা, মাদকসেবীদের জন্য বিশেষ কার্ড, স্কুল-কলেজের সামনে ফ্রি সাপ্লাই, থানা-পুলিশ আমার ভাই এবং উন্নয়ন হবে, আগে চাঁদা হবে—এমন বিভিন্ন স্লোগানও লেখা রয়েছে। পোস্টারগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।

পোস্টারে নিজের নাম ব্যবহারের বিষয়ে সিরাজপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি খোকন বলেন, কয়েক দিন আগে আমার ছেলে চাঁন মিয়াকে স্কুলে চড় মারে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল হাসেমের ছেলে। তা নিয়ে আমি প্রতিবাদ করি। এরপর থেকেই তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। মাদকের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। দল ক্ষমতায় এলেও আমি আগের মতো গাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করি। সমাজের মানুষ তা জানে। এমনকি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী নই।

সিরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল হাসেম অভিযোগ নাকচ করে বলেন, খোকনকে ঘিরে তার দলের মধ্যেই মাদকসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। তিনি দাবি করেন, স্কুলে খোকনের ছেলে তাদের বাড়ির এক ছাত্রীকে ইভটিজিং করায় তার ছেলে ওই ছেলে-মেয়েকে চড় মেরে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়। তবে পোস্টার লাগানোর সঙ্গে তিনি বা তার পরিবারের কোনো সদস্য জড়িত নন বলে দাবি করেন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল হাকিম বলেন, পোস্টারের বিষয়টি শুনেছি। তবে এ ঘটনায় থানায় ভুক্তভোগী কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।