সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মনিরামপুরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

  • যশোর প্রতিনিধি 
  • প্রকাশের সময় : ১০:০৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে

প্রতীকী ছবি

যশোরের মনিরামপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন ছোট ভাই ও ভাতিজার হামলায় বড় ভাই নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুল মান্নান (৫৭), তিনি মৃত ইজাহার মোড়লের ছেলে ও মনিরামপুর উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়নের ডুমুরখালী গ্রামের বাসিন্দা।

 গত ১৩ জুলাই  বিকেলে ২টার দিকে পারিবারিক জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আব্দুল মান্নান ও তার স্ত্রী ফুলি খাতুনের ওপর হামলা চালায় তার আপন ছোট ভাই আব্দুল হান্নান (৪৫) ও হান্নানের ছেলে রহমতুল্লাহ (১৮)। পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘরে ঢুকে চাইনিজ কুড়াল ও দা দিয়ে তাদেরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা দুজনকেই ঢাকায় রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ১৪ জুলাই ভোররাতে আব্দুল মান্নান মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনা বিষয়ে যশোর মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বাবলুর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

ট্যাগ :

ঝিকরগাছায় আলাল দিনে কৃষক, রাত নামলেই আ. লীগ কর্মীদের জড়ো করে গোপন বৈঠক, এলাকায় আতঙ্ক

মনিরামপুরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

প্রকাশের সময় : ১০:০৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

যশোরের মনিরামপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন ছোট ভাই ও ভাতিজার হামলায় বড় ভাই নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুল মান্নান (৫৭), তিনি মৃত ইজাহার মোড়লের ছেলে ও মনিরামপুর উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়নের ডুমুরখালী গ্রামের বাসিন্দা।

 গত ১৩ জুলাই  বিকেলে ২টার দিকে পারিবারিক জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আব্দুল মান্নান ও তার স্ত্রী ফুলি খাতুনের ওপর হামলা চালায় তার আপন ছোট ভাই আব্দুল হান্নান (৪৫) ও হান্নানের ছেলে রহমতুল্লাহ (১৮)। পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘরে ঢুকে চাইনিজ কুড়াল ও দা দিয়ে তাদেরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা দুজনকেই ঢাকায় রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ১৪ জুলাই ভোররাতে আব্দুল মান্নান মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনা বিষয়ে যশোর মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বাবলুর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।