সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যবিপ্রবির প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

  • যশোর অফিস 
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
  • ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

যশোর অফিস
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রধান প্রকৌশলী (অ. দা.) অধ্যাপক ড. এইচ. এম. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে দপ্তরে অনুপস্থিত থাকা, দাপ্তরিক নথি আটকে রাখা, প্রকৌশলীদের সাথে দুর্ব্যবহার, সিদ্ধান্তহীনতা, এবং অফিসের কর্মচারীদের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ এনে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গত ২৫ জানুয়ারি উপাচার্য বরাবর একটি লিখিত অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয় যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গতিশীল করার জন্য প্রকৌশল দপ্তর নিরলস পরিশ্রম করলেও প্রধান প্রকৌশলীর অনভিজ্ঞতা অযোগ্যতা ও অপেশাদার আচরণের কারণে কাজের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে। তিনি প্রকৌশল-সংক্রান্ত বিষয় বুঝতে না পারায় নথি অনুমোদনে অযথা বিলম্ব করেন, কখনো এক থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত স্বাক্ষর করেন না, আবার কখনো কাজের নির্দেশ দিয়েও পরে তা অস্বীকার করেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়,প্রধান প্রকৌশলী প্রায় সময় অফিসে অনুপস্থিত থাকেন এবং দপ্তরের কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। তার অনুপস্থিতির ফলে গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্র অনুমোদনের অপেক্ষায় জমে যাচ্ছে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বহু ফাইল তার স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে, ফলে প্রকৌশল দপ্তরের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ স্থবির হয়ে পড়েছে। এমনকি চলতি অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে যে, দপ্তরের সেকশন অফিসার, যিনি কম্পিউটার অপারেটরের প্রায় সব কাজ সম্পন্ন করেন, তাকেও প্রধান প্রকৌশলী ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন। দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যেতে কর্মকর্তারা বহুবার তাকে অনুরোধ করলেও তিনি দুর্ব্যবহার করেন এবং কর্মচারীদের বরখাস্তের হুমকি দেন। অভিযোগকারীদের মতে,তার অযোগ্য নেতৃত্বের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল-সংক্রান্ত কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য না করলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়া অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি উঠেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রকৌশলী জাকির হোসেনের সাথে মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
ট্যাগ :

ঝিকরগাছায় আলাল দিনে কৃষক, রাত নামলেই আ. লীগ কর্মীদের জড়ো করে গোপন বৈঠক, এলাকায় আতঙ্ক

যবিপ্রবির প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

প্রকাশের সময় : ০৯:৪১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
যশোর অফিস
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রধান প্রকৌশলী (অ. দা.) অধ্যাপক ড. এইচ. এম. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে দপ্তরে অনুপস্থিত থাকা, দাপ্তরিক নথি আটকে রাখা, প্রকৌশলীদের সাথে দুর্ব্যবহার, সিদ্ধান্তহীনতা, এবং অফিসের কর্মচারীদের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ এনে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গত ২৫ জানুয়ারি উপাচার্য বরাবর একটি লিখিত অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয় যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গতিশীল করার জন্য প্রকৌশল দপ্তর নিরলস পরিশ্রম করলেও প্রধান প্রকৌশলীর অনভিজ্ঞতা অযোগ্যতা ও অপেশাদার আচরণের কারণে কাজের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে। তিনি প্রকৌশল-সংক্রান্ত বিষয় বুঝতে না পারায় নথি অনুমোদনে অযথা বিলম্ব করেন, কখনো এক থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত স্বাক্ষর করেন না, আবার কখনো কাজের নির্দেশ দিয়েও পরে তা অস্বীকার করেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়,প্রধান প্রকৌশলী প্রায় সময় অফিসে অনুপস্থিত থাকেন এবং দপ্তরের কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। তার অনুপস্থিতির ফলে গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্র অনুমোদনের অপেক্ষায় জমে যাচ্ছে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বহু ফাইল তার স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে, ফলে প্রকৌশল দপ্তরের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ স্থবির হয়ে পড়েছে। এমনকি চলতি অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে যে, দপ্তরের সেকশন অফিসার, যিনি কম্পিউটার অপারেটরের প্রায় সব কাজ সম্পন্ন করেন, তাকেও প্রধান প্রকৌশলী ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন। দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যেতে কর্মকর্তারা বহুবার তাকে অনুরোধ করলেও তিনি দুর্ব্যবহার করেন এবং কর্মচারীদের বরখাস্তের হুমকি দেন। অভিযোগকারীদের মতে,তার অযোগ্য নেতৃত্বের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল-সংক্রান্ত কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য না করলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়া অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি উঠেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রকৌশলী জাকির হোসেনের সাথে মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।