বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬০ বছরে চীনে প্রথমবার জনসংখ্যা কমলো

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৮:১১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

গত ৬০ বছরে এবারই প্রথমবারের মতো জনবহুল দেশ চীনের জনসংখ্যা কমেছে। আজ মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

এদিকে চীনে কর্মক্ষম জনসংখ্যা ক্রমেই কমছে। অন্যদিকে রেকর্ড পতন হয়েছে জন্মের হারেও। ধারণা করা হচ্ছে, এর প্রভাব সরাসরি চীনের অর্থনীতির ওপর পড়তে চলেছে।

চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সাল শেষে দেশটির মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪১ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজারে। যা ২০২১ সালের তুলনায় ৮ লাখ ৫০ হাজার কম।

২০২২ সালে দেশটিতে জন্ম নিয়েছে ৯০ লাখ ৫৬ হাজর শিশু। আর একই সময় মারা গেছেন ১ কোটি ৪১ হাজার মানুষ।

সর্বশেষবার চীনের জনসংখ্যা কমেছিল ১৯৬০ সালে। ওই বছর মাও সে তুংয়ের বিপর্যয়কর কৃষি নীতি ‘গ্রেট লিপ ফরওয়ার্ডের’ কারণে দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছিল দেশটির মানুষ।

জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঠেকাতে ১৯৭৯ সালে এক সন্তান নীতি চালু করেছিল চিন। গত ২০১৬ সালে দুই সন্তানের অনুমতি দেওয়া হয়। পরে গতবছর চীনের পলিটব্যুরোতে জন্ম নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরও কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জানানো হয়, এবার থেকে তিন সন্তানের জন্ম দেওয়ার অনুমতি পাবেন নাগরিকরা।

চীনের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তিই দেশটির বিপুল সংখ্যক জনসংখ্যা। কমদামে কর্মীর চাহিদা মেটাতে চীনে হাজির হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উৎপাদনকারী সংস্থা। কিন্তু কঠোর জন্মনিয়ন্ত্রণ আইনের প্রভাবে গত বেশ কয়েক বছর ধরেই চীনে জন্মহার আগের মতো বেশি ছিল না।

ট্যাগ :

৬০ বছরে চীনে প্রথমবার জনসংখ্যা কমলো

প্রকাশের সময় : ০৮:১১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩

গত ৬০ বছরে এবারই প্রথমবারের মতো জনবহুল দেশ চীনের জনসংখ্যা কমেছে। আজ মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

এদিকে চীনে কর্মক্ষম জনসংখ্যা ক্রমেই কমছে। অন্যদিকে রেকর্ড পতন হয়েছে জন্মের হারেও। ধারণা করা হচ্ছে, এর প্রভাব সরাসরি চীনের অর্থনীতির ওপর পড়তে চলেছে।

চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সাল শেষে দেশটির মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪১ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজারে। যা ২০২১ সালের তুলনায় ৮ লাখ ৫০ হাজার কম।

২০২২ সালে দেশটিতে জন্ম নিয়েছে ৯০ লাখ ৫৬ হাজর শিশু। আর একই সময় মারা গেছেন ১ কোটি ৪১ হাজার মানুষ।

সর্বশেষবার চীনের জনসংখ্যা কমেছিল ১৯৬০ সালে। ওই বছর মাও সে তুংয়ের বিপর্যয়কর কৃষি নীতি ‘গ্রেট লিপ ফরওয়ার্ডের’ কারণে দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছিল দেশটির মানুষ।

জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঠেকাতে ১৯৭৯ সালে এক সন্তান নীতি চালু করেছিল চিন। গত ২০১৬ সালে দুই সন্তানের অনুমতি দেওয়া হয়। পরে গতবছর চীনের পলিটব্যুরোতে জন্ম নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরও কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জানানো হয়, এবার থেকে তিন সন্তানের জন্ম দেওয়ার অনুমতি পাবেন নাগরিকরা।

চীনের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তিই দেশটির বিপুল সংখ্যক জনসংখ্যা। কমদামে কর্মীর চাহিদা মেটাতে চীনে হাজির হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উৎপাদনকারী সংস্থা। কিন্তু কঠোর জন্মনিয়ন্ত্রণ আইনের প্রভাবে গত বেশ কয়েক বছর ধরেই চীনে জন্মহার আগের মতো বেশি ছিল না।