শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে সংবাদপত্র হকার্স ইউনিয়নের সদস্যদের মিলনমেলা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২৩৮ বার পড়া হয়েছে
যশোর অফিস
সকল ব্যাথা বেদনা, সুখ দুঃখ ভুলে এক অন্যরকম আনন্দে মেতেছিলেন যশোর সংবাদপত্র হকার্স ইউনিয়নের সদস্যরা। হাঁসি আনন্দে মেতে ওঠেন এক মহানন্দে। আর সেই আনন্দে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম। শত ব্যস্ততা ভুলে শনিবার শহরের পৌর পার্কে হকার্স ইউনিয়নের সদস্যদের সাথে তিনিও মেতে ওঠেন এক মহানন্দে। তিনি নিজের সুখ দুঃখ আর হাসি আনন্দ সমান ভাগে ভাগ করে নেন হকার্স ভাইদের সাথে।
এই আনন্দমেলায় অংশ নেন যশোরের ডিডিএলজি রফিকুল হাসান, জিলা পরিষদের সিইও আসাদুজ্জামান,প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, যশোর সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি একরামুদ্দৌলাহ, যশোর চেম্বারের সভাপতি মিজানুর রহমান খান,সাধারণ সম্পাদক তানভিরুল ইসলাম সোহান,বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার নূর ইসলাম,হকার্স ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক জিলহজ্জ, জেইউজের সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ, ফটো জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম আর খান মিলনসহ হকার্স ইউনিয়নের প্রায় দুই শতাধিক সদস্য।জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম এই মিলন মেলায় উপস্থিত সকলকে মিষ্টিমুখ করান।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, এ জেলার ৩১ লাখ মানুষের সেবক হিসেবে আমাকে সরকার এই জেলায় পোষ্টিং দিয়েছেন। আমার কাজ হচ্ছে জেলার সুবিধা বঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় সরকারের প্রদেয় সেবাসমুহ পৌঁছে দেওয়া। সমাজের সুবিধাজনক অবস্থায় যারা আছেন তারা নানা মাধ্যমে তাদের চাহিদাগুলো পূরণ করতে পারেন। কিন্তু সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো তা পারে না। তাই আমার মোটো হচ্ছে এই সুবিধা বঞ্চিত মানুষগুলোকে উন্নয়নের মেইন স্টিমে আনা। তারই অংশ হিসেবে যশোরের সংবাদপত্র হকার্স ইউনিয়নের ব্যানারে সংবাদপত্র শিল্পের সকল স্তরের প্রতিনিধিদের এক ছাতার নীচেয় একত্রিত করে একটা মিলন মেলায় মিলিত হয়ে নিজেদের সুখ দুঃখ একে অপরের সাথে শেয়ার করা। ২৪ জুলাই বিপ্লবের পর দেশে যে পরিবর্তন সাধিত হয়েছে সেই পরিবর্তনকে ধরে রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে সমাজের সকলকে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। উন্নয়নের চাকাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোন বিকল্প নেই। এই জন্য সমাজের সকল স্তরের মানুষকে মা,মাটি ও মানুষের কল্যাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য জেলা প্রশাসক সকরকে আহবান জানান। পরে জেলা প্রশাসকসহ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ হকার্স ইউনিয়নের সকল সদস্যের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক যশোরে তার কার্যকালে সর্বাবস্থায় হকার্স ইউনিয়নের সদস্যদের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ট্যাগ :

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যকে দেখতে হাসপাতালে সহকারী এটর্নী জেনারেল উজ্জ্বল হোসেন

যশোরে সংবাদপত্র হকার্স ইউনিয়নের সদস্যদের মিলনমেলা

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
যশোর অফিস
সকল ব্যাথা বেদনা, সুখ দুঃখ ভুলে এক অন্যরকম আনন্দে মেতেছিলেন যশোর সংবাদপত্র হকার্স ইউনিয়নের সদস্যরা। হাঁসি আনন্দে মেতে ওঠেন এক মহানন্দে। আর সেই আনন্দে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম। শত ব্যস্ততা ভুলে শনিবার শহরের পৌর পার্কে হকার্স ইউনিয়নের সদস্যদের সাথে তিনিও মেতে ওঠেন এক মহানন্দে। তিনি নিজের সুখ দুঃখ আর হাসি আনন্দ সমান ভাগে ভাগ করে নেন হকার্স ভাইদের সাথে।
এই আনন্দমেলায় অংশ নেন যশোরের ডিডিএলজি রফিকুল হাসান, জিলা পরিষদের সিইও আসাদুজ্জামান,প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, যশোর সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি একরামুদ্দৌলাহ, যশোর চেম্বারের সভাপতি মিজানুর রহমান খান,সাধারণ সম্পাদক তানভিরুল ইসলাম সোহান,বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার নূর ইসলাম,হকার্স ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক জিলহজ্জ, জেইউজের সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ, ফটো জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম আর খান মিলনসহ হকার্স ইউনিয়নের প্রায় দুই শতাধিক সদস্য।জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম এই মিলন মেলায় উপস্থিত সকলকে মিষ্টিমুখ করান।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, এ জেলার ৩১ লাখ মানুষের সেবক হিসেবে আমাকে সরকার এই জেলায় পোষ্টিং দিয়েছেন। আমার কাজ হচ্ছে জেলার সুবিধা বঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় সরকারের প্রদেয় সেবাসমুহ পৌঁছে দেওয়া। সমাজের সুবিধাজনক অবস্থায় যারা আছেন তারা নানা মাধ্যমে তাদের চাহিদাগুলো পূরণ করতে পারেন। কিন্তু সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো তা পারে না। তাই আমার মোটো হচ্ছে এই সুবিধা বঞ্চিত মানুষগুলোকে উন্নয়নের মেইন স্টিমে আনা। তারই অংশ হিসেবে যশোরের সংবাদপত্র হকার্স ইউনিয়নের ব্যানারে সংবাদপত্র শিল্পের সকল স্তরের প্রতিনিধিদের এক ছাতার নীচেয় একত্রিত করে একটা মিলন মেলায় মিলিত হয়ে নিজেদের সুখ দুঃখ একে অপরের সাথে শেয়ার করা। ২৪ জুলাই বিপ্লবের পর দেশে যে পরিবর্তন সাধিত হয়েছে সেই পরিবর্তনকে ধরে রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে সমাজের সকলকে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। উন্নয়নের চাকাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোন বিকল্প নেই। এই জন্য সমাজের সকল স্তরের মানুষকে মা,মাটি ও মানুষের কল্যাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য জেলা প্রশাসক সকরকে আহবান জানান। পরে জেলা প্রশাসকসহ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ হকার্স ইউনিয়নের সকল সদস্যের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক যশোরে তার কার্যকালে সর্বাবস্থায় হকার্স ইউনিয়নের সদস্যদের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।