রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জবিতে পিঠা উৎসব উদযাপন 

  • জবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ২০০ বার পড়া হয়েছে

জবি ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগে পিঠা উৎসব উদযাপন

জবি প্রতিনিধি 
‘নতুন ধানে, নতুন প্রাণে; চলো মাতি পিঠার ঘ্রাণে’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত হয়েছে পিঠা উৎসব ১৪৩০।
বৃহষ্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন অ্যাকাডেমিক ভবনের বারো তলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।
উৎসবে ঢাকা বিভাগ, উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ তিন ভাগে ভাগ হয়ে এ পিঠা উৎসব আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীরা নিজস্ব অঞ্চলের নিজের হাতে বানানো পিঠা ও ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্নের আয়োজন করেন।
এসময় সারাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ৫০ রকমের পিঠা ও মিষ্টান্নের আয়োজন করা হয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো আতক্বা পিঠা, খেজুর পিঠা, দুধকদু, দুধপুলি, রসের পিঠা, পেড়া সন্দেশ, ছানামুখী ইত্যাদি। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদেরকে এসব পিঠা পরিবেশন করা হয়।
উৎসবের আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক রাফিয়া খাতুন বলেন, পিঠা বাঙালির সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। পিঠা ছাড়া  শীতকাল যেন কল্পনা করা যায় না। আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন বাঙালি সংস্কৃতিকে না ভুলে যায় সেজন্য এমন আয়োজন। পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য সুস্থ আনন্দের ব্যবস্থা থাকাটাও জরুরি।
ট্যাগ :

সাম্প্রতিক বাংলাদেশ অনলাইনের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা

জবিতে পিঠা উৎসব উদযাপন 

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩
জবি প্রতিনিধি 
‘নতুন ধানে, নতুন প্রাণে; চলো মাতি পিঠার ঘ্রাণে’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত হয়েছে পিঠা উৎসব ১৪৩০।
বৃহষ্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন অ্যাকাডেমিক ভবনের বারো তলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।
উৎসবে ঢাকা বিভাগ, উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ তিন ভাগে ভাগ হয়ে এ পিঠা উৎসব আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীরা নিজস্ব অঞ্চলের নিজের হাতে বানানো পিঠা ও ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্নের আয়োজন করেন।
এসময় সারাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ৫০ রকমের পিঠা ও মিষ্টান্নের আয়োজন করা হয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো আতক্বা পিঠা, খেজুর পিঠা, দুধকদু, দুধপুলি, রসের পিঠা, পেড়া সন্দেশ, ছানামুখী ইত্যাদি। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদেরকে এসব পিঠা পরিবেশন করা হয়।
উৎসবের আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক রাফিয়া খাতুন বলেন, পিঠা বাঙালির সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। পিঠা ছাড়া  শীতকাল যেন কল্পনা করা যায় না। আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন বাঙালি সংস্কৃতিকে না ভুলে যায় সেজন্য এমন আয়োজন। পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য সুস্থ আনন্দের ব্যবস্থা থাকাটাও জরুরি।