সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভর্তুকি সমন্বয় করতে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: প্রতিমন্ত্রী

বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভর্তুকি সমন্বয় করতে বিদ্যুতের মূল্য শতকরা ৫ ভাগ বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পর প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন ২০০৩’- এর ধারা ৩৪ ক-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ভর্তুকি সমন্বয়ের লক্ষ্যে জনস্বার্থে বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ৫ শতাংশ সমন্বয় করেছে।

লাইফ লাইন গ্রাহকদের ইউনিট প্রতি ৩ টাকা ৭৫ পয়সার স্থলে ৩ টাকা ৯৪ পয়সা দিতে হবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থাৎ ইউনিট প্রতি ১৯ পয়সা বাড়বে। লাইফ লাইন গ্রাহক রয়েছে ১ কোটি ৬৫ লাখ।

এর আগে গত রবিবার (৮ জানুয়ারি) ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য ইউনিট প্রতি এক টাকা ২১ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি কমিটি। বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব বিশ্লেষণ করে এই সুপারিশ করে বিইআরসি।

এদিকে গত বছরের ২১ নভেম্বর ভর্তুকির ভার কমাতে পাইকারিতে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসি। এর পরপরই খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়াতে আবেদন জমা দিতে থাকে বিতরণকারী সংস্থাগুলো।

এরই প্রেক্ষিতে কারিগরি কমিটিতে মূল্যায়ন শেষে গণশুনানি হয়। এরপর দাম বাড়ার সিদ্ধান্ত এলো।

সর্বশেষ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। তখন পাইকারিতে দাম ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধির পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ানো হয় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। তাতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে ৩৬ পয়সা বেড়ে ৭ টাকা ১৩ পয়সা হয়।

সূত্র -ঢাকাপ্রকাশ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যশোরের শার্শায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনায় দোয়া-মাহফিল

ভর্তুকি সমন্বয় করতে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০১:২৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৩

বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভর্তুকি সমন্বয় করতে বিদ্যুতের মূল্য শতকরা ৫ ভাগ বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পর প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন ২০০৩’- এর ধারা ৩৪ ক-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ভর্তুকি সমন্বয়ের লক্ষ্যে জনস্বার্থে বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ৫ শতাংশ সমন্বয় করেছে।

লাইফ লাইন গ্রাহকদের ইউনিট প্রতি ৩ টাকা ৭৫ পয়সার স্থলে ৩ টাকা ৯৪ পয়সা দিতে হবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থাৎ ইউনিট প্রতি ১৯ পয়সা বাড়বে। লাইফ লাইন গ্রাহক রয়েছে ১ কোটি ৬৫ লাখ।

এর আগে গত রবিবার (৮ জানুয়ারি) ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য ইউনিট প্রতি এক টাকা ২১ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি কমিটি। বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব বিশ্লেষণ করে এই সুপারিশ করে বিইআরসি।

এদিকে গত বছরের ২১ নভেম্বর ভর্তুকির ভার কমাতে পাইকারিতে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসি। এর পরপরই খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়াতে আবেদন জমা দিতে থাকে বিতরণকারী সংস্থাগুলো।

এরই প্রেক্ষিতে কারিগরি কমিটিতে মূল্যায়ন শেষে গণশুনানি হয়। এরপর দাম বাড়ার সিদ্ধান্ত এলো।

সর্বশেষ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। তখন পাইকারিতে দাম ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধির পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ানো হয় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। তাতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে ৩৬ পয়সা বেড়ে ৭ টাকা ১৩ পয়সা হয়।

সূত্র -ঢাকাপ্রকাশ