বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘরের দরজা ভেঙে ফুটবলারের স্ত্রী-সন্তানকে অপহরণ

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১২:৪১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

ছবি-সংগৃহীত

আর্জেন্টিনায় লিওনেল মেসি ও ডি মারিয়ার বাসায় গত বছর হামলা করেছিল সন্ত্রাসীরা। এমন কি দেশটিতে পা রাখলে মৃত্যুর হুমকিও দিয়েছিল তারা। এবার ইকুয়েডরের ফুটবলারের স্ত্রী ও সন্তানকে অপহরণ করেছে সন্ত্রাসীরা।

ইকুয়েডরের গায়াকুয়িলে বুধবার (২৩ এপ্রিল) জ্যাকসন রদ্রিগেসের বাড়িতে ভোর রাত তিনটার দিকে হামলা করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় এই ফুটবলারের স্ত্রী ও সন্তানকে অপহরণ করা হয়েছে। এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শহরটির পুলিশ প্রধান এদিসন রদ্রিগেস।

ঘটনার সময় রদ্রিগেস বাড়িতেই লুকিয়ে ছিলেন। ২৬ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার বলেছেন, বাড়ির সামনের দরজা ভাঙার শব্দ পেয়ে তিনি বিছানার নিচে লুকান। দুর্বত্তরা বাড়িটিতে ঢুকে রদ্রিগেস কোথায় জিজ্ঞাসা করে। তাকে না পেয়ে তার স্ত্রী ও সন্তানকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ইকুয়েডরের অনেক অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই শঙ্কা প্রকাশ করছেন বাসিন্দারা। সপ্তাহ খানেক আগে দেশটির ৯টি অঞ্চলে জরুরী অবস্থা জারি করে সরকার। ওই শহরগুলোর মধ্যে গায়াকুয়িলও আছে।

এ বছরে প্রথম কয়েক মাসে সন্ত্রাসীদের দাপট অনেক বেড়েছে। জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে দুই হাজার ৩৪৫টি সহিংস মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ৭৪২ জন প্রাণ হারিয়েছেন রাজধানী কিটো থেকে ১৬৮ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমের শহর গায়াকুয়িলে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান জহির

ঘরের দরজা ভেঙে ফুটবলারের স্ত্রী-সন্তানকে অপহরণ

প্রকাশের সময় : ১২:৪১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫

আর্জেন্টিনায় লিওনেল মেসি ও ডি মারিয়ার বাসায় গত বছর হামলা করেছিল সন্ত্রাসীরা। এমন কি দেশটিতে পা রাখলে মৃত্যুর হুমকিও দিয়েছিল তারা। এবার ইকুয়েডরের ফুটবলারের স্ত্রী ও সন্তানকে অপহরণ করেছে সন্ত্রাসীরা।

ইকুয়েডরের গায়াকুয়িলে বুধবার (২৩ এপ্রিল) জ্যাকসন রদ্রিগেসের বাড়িতে ভোর রাত তিনটার দিকে হামলা করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় এই ফুটবলারের স্ত্রী ও সন্তানকে অপহরণ করা হয়েছে। এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শহরটির পুলিশ প্রধান এদিসন রদ্রিগেস।

ঘটনার সময় রদ্রিগেস বাড়িতেই লুকিয়ে ছিলেন। ২৬ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার বলেছেন, বাড়ির সামনের দরজা ভাঙার শব্দ পেয়ে তিনি বিছানার নিচে লুকান। দুর্বত্তরা বাড়িটিতে ঢুকে রদ্রিগেস কোথায় জিজ্ঞাসা করে। তাকে না পেয়ে তার স্ত্রী ও সন্তানকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ইকুয়েডরের অনেক অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই শঙ্কা প্রকাশ করছেন বাসিন্দারা। সপ্তাহ খানেক আগে দেশটির ৯টি অঞ্চলে জরুরী অবস্থা জারি করে সরকার। ওই শহরগুলোর মধ্যে গায়াকুয়িলও আছে।

এ বছরে প্রথম কয়েক মাসে সন্ত্রাসীদের দাপট অনেক বেড়েছে। জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে দুই হাজার ৩৪৫টি সহিংস মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ৭৪২ জন প্রাণ হারিয়েছেন রাজধানী কিটো থেকে ১৬৮ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমের শহর গায়াকুয়িলে।