সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোর ডিবি পুলিশের অভিযানে প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

  • শহিদ জয়, যশোর।।
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে

প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

শহিদ জয়, যশোর।।

কয়লা ব্যবসার নামে প্রতারণার অভিযোগে প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে যশোর ডিবি পুলিশ। শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রতারক চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চি করেছেন যশোর ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হক ভূঁইয়া।

এর আগে শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) মধ্যরাতে ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর এবং শনিবার ভোরে যশোরের কেশবপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার কৃতরা হলেন- ঝালকাঠি সদর উপজেলার কৃষ্ণকাঠি গ্রামের আব্দুল মালেক খানের ছেলে কালাম খান, ভান্ডরিয়া উপজেলার উত্তর শিয়ালকাটি গ্রামের মৃত লেহাজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে নাসির উদ্দিন, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার রুস্তমপুর গ্রামের আফসার উদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলাম ও জালাল উদ্দিনের ছেলে আক্তারুজ্জামান।

ডিবি পুলিশ জানায়, গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ইছামতশেরপুর এসবি ইট ভাটা কর্তৃপক্ষ কয়লা কেনার জন্য যশোরের মেসার্স খান এন্টারপ্রাইজ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করেন। এরপর গত ১৯ মার্চ ভাটা মালিক সাজু প্রধান‌ও ম্যানেজার টুলু মিয়া কয়লা নিতে যশোরে আসেন। আসামিরা তাদের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ার একটি কয়লা ডিপোতে নিয়ে যায়। সেখানে ৫টি ট্রাকে ১১৯ টন কয়লা লোড করে স্কেলের কাজ শেষ করে। এরপর কয়লার মূল্য ২০ লাখ ১১ হাজার ১০০ টাকা দাবি করে। তাৎক্ষণিক আসামিদের মেসার্স খান এন্টারপ্রাইজ নামীয় দুটি একাউন্টে ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। কয়লা পৌঁছানোর পর বাকী টাকা দেওয়ার কথা হয়। কিন্তু তারা কয়লা না পাঠিয়ে ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে এবং নিজেদের মোবাইল ফোনগুলো বন্ধ করে দেয়। টাকা উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে ভাটার ম্যানেজার টুলু মিয়া শুক্রবার রাতে মামলা করেন। এরপর ডিবির একটি টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল রাতেই আসামি কালাম খান ও নাসির উদ্দিন নামে দুই প্রতারককে ঝালকাঠির রাজাপুর থেকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাদের দেয়া তথ্য মতে আজ শনিবার ভোরে যশোরের কেশবপুর থেকে আসামি মনিরুল ইসলাম ও আক্তারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে।

যশোর ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হক ভূঁইয়া জানান, গ্রেপ্তাকৃতদের নামে ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, বরিশালে ১২টি মামলা রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যশোরের শার্শায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনায় দোয়া-মাহফিল

যশোর ডিবি পুলিশের অভিযানে প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

শহিদ জয়, যশোর।।

কয়লা ব্যবসার নামে প্রতারণার অভিযোগে প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে যশোর ডিবি পুলিশ। শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রতারক চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চি করেছেন যশোর ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হক ভূঁইয়া।

এর আগে শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) মধ্যরাতে ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর এবং শনিবার ভোরে যশোরের কেশবপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার কৃতরা হলেন- ঝালকাঠি সদর উপজেলার কৃষ্ণকাঠি গ্রামের আব্দুল মালেক খানের ছেলে কালাম খান, ভান্ডরিয়া উপজেলার উত্তর শিয়ালকাটি গ্রামের মৃত লেহাজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে নাসির উদ্দিন, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার রুস্তমপুর গ্রামের আফসার উদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলাম ও জালাল উদ্দিনের ছেলে আক্তারুজ্জামান।

ডিবি পুলিশ জানায়, গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ইছামতশেরপুর এসবি ইট ভাটা কর্তৃপক্ষ কয়লা কেনার জন্য যশোরের মেসার্স খান এন্টারপ্রাইজ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করেন। এরপর গত ১৯ মার্চ ভাটা মালিক সাজু প্রধান‌ও ম্যানেজার টুলু মিয়া কয়লা নিতে যশোরে আসেন। আসামিরা তাদের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ার একটি কয়লা ডিপোতে নিয়ে যায়। সেখানে ৫টি ট্রাকে ১১৯ টন কয়লা লোড করে স্কেলের কাজ শেষ করে। এরপর কয়লার মূল্য ২০ লাখ ১১ হাজার ১০০ টাকা দাবি করে। তাৎক্ষণিক আসামিদের মেসার্স খান এন্টারপ্রাইজ নামীয় দুটি একাউন্টে ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। কয়লা পৌঁছানোর পর বাকী টাকা দেওয়ার কথা হয়। কিন্তু তারা কয়লা না পাঠিয়ে ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে এবং নিজেদের মোবাইল ফোনগুলো বন্ধ করে দেয়। টাকা উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে ভাটার ম্যানেজার টুলু মিয়া শুক্রবার রাতে মামলা করেন। এরপর ডিবির একটি টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল রাতেই আসামি কালাম খান ও নাসির উদ্দিন নামে দুই প্রতারককে ঝালকাঠির রাজাপুর থেকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাদের দেয়া তথ্য মতে আজ শনিবার ভোরে যশোরের কেশবপুর থেকে আসামি মনিরুল ইসলাম ও আক্তারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে।

যশোর ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হক ভূঁইয়া জানান, গ্রেপ্তাকৃতদের নামে ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, বরিশালে ১২টি মামলা রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।