সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈদের রাতে বাজি ফোটানোকে নিয়ে যুবক খুন

ছবি-সংগৃহীত

যশোর প্রতিনিধি।।

যশোর সদর উপজেলা নোয়াপাড়া ইউনিয়নের পাগলাদহ গ্রামে ঈদের দিন বাজি ফুটানোকে কেন্দ্র করে দু-গ্রুপের সংঘর্ষে ছুরিকাঘাতে অলিদ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি ওই এলাকার হৃদয় হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।

আহতরা হলেন- একই এলাকার বহর আলীর ছেলে আরিফ হোসেন, লুৎফর মোল্লা ছেলে রিপন হোসেন, তার ছেলে আপন ও সাইদের ছেলে শামীম হোসেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, হতাহতরা ঈদের দিন (৩১ মার্চ) রাত ৮টার দিকে পাগলাদহ গ্রামে পটকা ফাঠাচ্ছিলেন। এ সময় তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। নিজেদের মধ্যেও ছুরিকাঘাতে তারা আহত হন। পরে স্থানীয় তাদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের ডাক্তার অলিদকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিরা হাসপাতালে সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আবুল হাসনাত খান বলেন, বাজি ফুটানোকে কেন্দ্র করে অলিদ হোসেন নামে একজন নিহত হয়েছে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য আরিফ নামে আরেকজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করা হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের চারজন আহত হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :

সাম্প্রতিক বাংলাদেশ অনলাইনের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা

ঈদের রাতে বাজি ফোটানোকে নিয়ে যুবক খুন

প্রকাশের সময় : ০১:০৯:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫

যশোর প্রতিনিধি।।

যশোর সদর উপজেলা নোয়াপাড়া ইউনিয়নের পাগলাদহ গ্রামে ঈদের দিন বাজি ফুটানোকে কেন্দ্র করে দু-গ্রুপের সংঘর্ষে ছুরিকাঘাতে অলিদ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি ওই এলাকার হৃদয় হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।

আহতরা হলেন- একই এলাকার বহর আলীর ছেলে আরিফ হোসেন, লুৎফর মোল্লা ছেলে রিপন হোসেন, তার ছেলে আপন ও সাইদের ছেলে শামীম হোসেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, হতাহতরা ঈদের দিন (৩১ মার্চ) রাত ৮টার দিকে পাগলাদহ গ্রামে পটকা ফাঠাচ্ছিলেন। এ সময় তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। নিজেদের মধ্যেও ছুরিকাঘাতে তারা আহত হন। পরে স্থানীয় তাদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের ডাক্তার অলিদকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিরা হাসপাতালে সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আবুল হাসনাত খান বলেন, বাজি ফুটানোকে কেন্দ্র করে অলিদ হোসেন নামে একজন নিহত হয়েছে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য আরিফ নামে আরেকজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করা হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের চারজন আহত হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।